কেজিতে ৩ টাকা চালের দাম কমেছে

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বাড়তে থাকা চালের দাম এখন কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা কমেছে। খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতারা বলছেন, চালের ভরা মৌসুমেও এক শ্রেণির অসাধু মিলাররা কারসাজি করে অতি মুনাফা করেছে। করোনার এই মহামারি পরিস্থিতির মধ্যেও বিভিন্ন অজুহাতে তারা চালের দাম বাড়িয়েছে। আবার সুযোগ বুঝে দাম কমিয়েছে।

এদিকে মিল পর্যায়ে চালের দাম কমায়, দাম কমেছে রাজধানীর পাইকারি ও খুচরা বাজারেও। দাম কমার চিত্র সরকারি সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) দৈনিক মূল্য তালিকায়ও লক্ষ্য করা গেছে।

রাজধানীর কিছু খুচরা চাল বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শনিবার প্রতি কেজি মিনিকেট চাল ৫৩-৫৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে, যা সাতদিন আগে ৫৫-৫৮ টাকা ছিল। প্রতি কেজি ভালোমানের নাজিরশাল চাল ৬৫ টাকা বিক্রি হয়েছে, যা সাতদিন আগে বিক্রি হয়েছে ৬৮ টাকা। এছাড়া মাঝারি আকারের চালের মধ্যে পাইজাম চাল প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ৪৫-৫২ টাকা, যা সাত দিন আগে বিক্রি হয়েছে ৪৭-৫৫ টাকা।

আর মোটা চালের মধ্যে স্বর্ণা চাল বিক্রি হয়েছে ৩৮-৪০ টাকা, যা সাত দিন আগে বিক্রি হয়েছে ৪০-৪২ টাকা। এক চালের এজেন্সি বলেন, করোনা ভাইরাসকে পুঁজি করে চালের ভরা মৌসুমেও মিলাররা নানা অজুহাতে চালের দাম বাড়িয়েছে।

তখন পাইকারি ও খুচরা বাজারেও চালের দাম বাড়তির দিকে ছিল। তবে মিল পর্যায় থেকে দাম কমতে থাকায় পাইকারি ও খুচরাতে দাম কমছে।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক বলেন, অধিদফতরের মহাপরিচালকের নির্দেশে প্রতিদিন নিয়মিত বাজার তদারকি করা হচ্ছে।

এ সময় কোনো ধরনের অনিয়ম পেলে দোষীকে শাস্তি আওতায় আনা হয়েছে। এছাড়া চালের বাজারেও আমরা অভিযান পরিচালনা করছি। করোনা পরিস্থিতির মধ্যে বাজার তদারকি জোরদার করা হয়েছে। কোনো অনিয়ম পেলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।

***পীরগঞ্জ টোয়েন্টিফোরে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।***

Content Protection by DMCA.com

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.