আনিসুল হকের কুলখানি ৬ ডিসেম্বর

আগামী ৬ ডিসেম্বর বুধবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের কুলখানি অনুষ্ঠিত হবে। ওইদিন রাজধানীর গুলশানে আজাদ মসজিদে বাদ আসরে এ আয়োজন করা হয়েছে। এতে পরিবারের পক্ষ থেকে ডিএনসিসির কর্মকর্তা-কর্মচারী, আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের আসার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

এর আগে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে শনিবার দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে আনিসুল হকের মরদেহ বহনকারী বিমান অবতরণ করে। সেখান থেকে তাকে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় বনানীর বাসভবনে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত ছিলেন। শেষবারের মতো প্রয়াত মেয়র আনিসুল হককে শ্রদ্ধা ও তার স্বজনদের সমবেদনা জানান তিনি।

এরপরে আর্মি স্টেডিয়ামে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সর্বস্তরের অগণিত মানুষ তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের পক্ষ থেকে তার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল সারোয়ার হুসেন, প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে তাঁর সামরিক সচিব মিঞা মুহম্মদ জয়নাল আবেদীন, জাতীয় সংসদ স্পিকার ড. শিরিন শারমিনের পক্ষ থেকে সার্জেন্ট অব আর্মস ক্যাপ্টেন মোস্তাক আহমেদ শ্রদ্ধা জানান।

এ ছাড়াও ঢাকা দক্ষিণের মেয়র সাঈদ খোকন, আওয়ামী লীগের পক্ষে সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সংসদ উপনেতা সাজেদা চৌধুরী, এফবিসিসিআই, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তাঁর মরদেহ বনানী কবরস্থানে তাঁর মা ও ছোট সন্তান শারাফের সঙ্গে দাফন করা হয়েছে।

আরও পড়তে পারেন: মৃত্যুর ৮ বছর পরেও বয়ষ্ক ভাতার টাকা উত্তোলন অব্যাহত

মেয়র আনিসুল হক লন্ডনে জুলাই মাসে বেড়াতে আসার পর মস্তিষ্কের প্রদাহজনিত এক রোগে আক্রান্ত হলে চিকিৎসার জন্য গত ১৩ আগস্ট লন্ডনের একটি হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হয়। প্রায় চার মাস লন্ডনের ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিনি মারা যান।

***পীরগঞ্জ টোয়েন্টিফোরে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।***

আরও পড়ুন...