সবার জন্য পেনশনের ব্যবস্থা করা হবে : অর্থমন্ত্রী

সবার জন্য পেনশনের ব্যবস্থা করা হবে বলে ইচ্ছা প্রকাশ করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রণালয়ের একটি পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধনে তিনি এ ইচ্ছা পোষন করেন। অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকুরেদের পেনশনের জন্য ছোটাছুটির কষ্ট কমানোর ব্যবস্থা করছে সরকার। পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে সরাসরি ব্যাংকে পেনশন চলে যাবে। পেনশনভোগীকে মোবাইল ফোনে এসএমএস দিয়ে টাকা জমা হয়েছে জানানো হবে।

অর্থমন্ত্রী মুহিত বলেন দেশের সবার জন্য পেনশনের ব্যবস্থা করা হবে, এই জন্য আগামী বাজেটে একটি রূপরেখা দেওয়ার পরিকল্পনাও করা হবে।

তিনি আরও বলেন সর্বশেষ ১৯৮৩ সালে প্রথম দেশের পেনশন ব্যবস্থার সংস্কার হয়েছিল। যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেওয়া হলো আজকে। ফলে পেনশন তুলতে আর ছোটাছুটি করতে হবে না। ‘আজ আমি অনেক খুশি ও উৎফুল্ল। বাংলাদেশের পেনশন সিস্টেমে একটি গুণগত পরিবর্তন হলো। এখন থেকে আর কাউকে পেনশন পাওয়া নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। পর্যায়ক্রমে দেশের ৬, ৫৭, ২১২ জন পেনশনপ্রাপ্তরা এ সুবিধার আওতায় আসবেন।’ ‘আমরা সবসময় জনকল্যাণে কাজ করি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী প্রায়ই বিষয়টি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেন। আজকের এই উদ্যোগটিও সেটাই প্রমাণ করে।’

অর্থসচিব মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে এ পাইলট প্রকল্প ৫৭ জন পেনশনভোগীর জন্য শুরু হয়েছে। তারা সবাই টাকা পৌঁছে যাওয়ার এসএমএস পেয়েছেন। পেনশনভোগীর পেনশনের জন্য আর এজি অফিস, ব্যাংক বা অন্য কোন জায়গায় যেতে হবে না। তারা যখন খুশি টাকা তুলতে পারবেন। দেশে পেনশনভোগীর সংখ্যা বর্তমানে ৬, ৫৭, ২১২ জন। একটি পেনশন অফিস করা হবে এইজন্য জনপ্রশাসনে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে এবং সব কাজই অনলাইনে নিয়ে আসা হচ্ছে।

‘ইউনিভার্সাল পেনশন সিস্টেমের জন্য ইনস্টিটিউশন তৈরি করতে হবে। ফরমাল ও ইনফরমাল পেনশনের জন্য রেগুলেটরি অথরিটি লাগবে। স্যার এবার বাজেটে এটার রূপরেখা দেবেন। সেটার বেসিসে সরকার কাজ করবে।’ ‘ট্যাক্সের চালানও যেন এ অনলাইন দেওয়া যায়, সে চেষ্টা করা হচ্ছে। এটা হলে ব্যাংক ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মধ্যে মত পার্থক্য থাকবে না।’

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম জানান, ‘পেনশনের কাগজপত্র ঠিক করতে দীর্ঘ সময় ধরে অফিসে বসে থাকতে হয়। পেনশনের কাগজপত্র বিলম্ব করলে শাস্তির ব্যবস্থাও করা হয়েছিল। এখন সে অসুবিধা দূর হবে।’

এ অনুষ্ঠানে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ৯৭ জন কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ, মহা হিসাব নিরীক্ষক মাসুদ আহমেদ, সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব এইচ টি ইমাম, সিদ্দিকুর রহমান, সাবেক প্রধান হিসাবরক্ষক লুৎফুলসহ অবসরপ্রাপ্ত কয়েকজন আমলা।

আরও পড়তে পারেন: গ্রামীণফোনের রাজস্ব ফাঁকি বেড়েই চলেছে : এনবিআর

***পীরগঞ্জ টোয়েন্টিফোরে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।***

Content Protection by DMCA.com

আরও পড়ুন...