- বিজ্ঞাপন -
24.7 C
Pirganj
হোমসমগ্র পীরগঞ্জজনগণের সেবা পাওয়ার যে অধিকার সে সেবাটা তারা টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে...

জনগণের সেবা পাওয়ার যে অধিকার সে সেবাটা তারা টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে – কাজী লুমুম্বা লুমু

- বিজ্ঞাপন -

আজ ৭ আগস্ট নবগঠিত পীরগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচন হচ্ছে। এতে মেয়র পদে লড়ছেন ৪ জন প্রার্থী। মেয়র ও কাউন্সিলর পদ প্রার্থীরা প্রচার-প্রচারণা, জনসংযোগে এই কয়দিন বেশ ব্যস্ত ছিলেন। এই ব্যস্ততার মাঝেও আমরা চেষ্টা করেছি তাদের প্রত্যেকের সাক্ষাৎকার নেওয়ার। যারা এই শত ব্যস্ততার মাঝেও আমাদের টিমকে সময় দিতে পেরেছেন তাদের প্রত্যেকের সাক্ষাৎকার আজ সারাদিন ছাপা হচ্ছে আমাদের নিউজ পোর্টালে।

স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জগ প্রতীকে লড়ছেন পীরগঞ্জ নাগরিক কমিটির সভাপতি স্বতন্ত্র এ্যাড. কাজী লুমুম্বা লুমু, পীরগঞ্জ টোয়েন্টিফোর টিমকে দেওয়া তাঁর সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ করা হল।

প্রার্থীর সংক্ষিপ্ত পরিচয়:

চিত্র: জগ

প্রার্থীর পূর্ণ নাম – কাজী লুমুম্বা লুমু
পিতার নাম – মৃত কাজী আব্দুল হালিম
মাতার নাম – মোছা. নুরুননাহার বেগম
জন্ম তারিখ – ১০ নভেম্বর ১৯৬৫ খ্রি.
ঠিকানা – গ্রাম: পঁচাকান্দর, ডাকঘর: পীরগঞ্জ
শিক্ষাগত যোগ্যতা – LL.B., LLM
পেশা – আইনজীবী
নির্বাচনী প্রতীক– জগ

পীরগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনের সকল খবর পড়ুন

পীরগঞ্জ টোয়েন্টিফোর: আপনার নির্বাচনে দাড়ানোর উদ্দেশ্য কী?

কাজী লুমুম্বা লুমু: নির্বাচনে দাড়ানোর উদ্দেশ্য ব্যপক। নির্বাচনে দাড়ালাম মূলত আমাদের দেশের যে জনপ্রতিনিধি যারা নির্বাচিত হয়, মানুষ যাদেরকে ভোট দেয় এবং মানুষের সেবা করার কথা বলে যারা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দীতা করেন মানুষ যাদেরকে বিশ্বাস করে ভোট দেন তাদের মধ্যে অধিকাংশ জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ার পরে তাদের প্রতিশ্রুতি মোতাবেক যে সেবা দেওয়ার কথা ছিল এ সেবাটা তারা টাকার বিনিময়ে দীর্ঘদিন ধরে বিক্রি করতেছে। দুস্থ ভাতার কার্ডের জন্য টাকা দিতে হয়, বয়স্ক ভাতার জন্য টাকা দিতে হয়, ১০০ দিনের কর্মসূচীর জন্য টাকা দিতে হয়, থানাতে তাদের ছেলেকে ধরে নিয়ে গেলে থানাতে তাদের ঘুষ দেওয়ার কথা বলে টাকা নেয়। এভাবে জনসেবার কথা বলে অধিকাংশ জনপ্রতিনিধি যাদের কাছে জনগণের সেবা পাওয়ার যে অধিকার ছিল সেই সেবাটা তারা টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে। আমি সেখানে বিক্ষুব্ধ হয়ে এই পৌরসভার মেয়র পদে নির্বাচনে দাড়ানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি। আমি ঘোষণা করেছি এই জনপদের মানুষ যদি আমাকে মেয়র হিসেবে নির্বাচিত করে আমি যেদিন এই পৌরসভার মেয়রের চেয়ার অলংকৃত করবো সেদিন থেকে কোন ঘুষ খাবোনা, দুর্নীতি করবোনা এবং বিনা টাকায় মানুষের কাজগুলো করবো। এই উদ্দেশ্যগুলোকে সামনে রেখেই আমি নির্বাচনে দাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

পীরগঞ্জ টোয়েন্টিফোর: নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়নে কী কী করবেন?

কাজী লুমুম্বা লুমু: এখানে উন্নয়নটা হয় তিনটা পর্যায়ে, একটা জাতীয় পর্যায়ে যেখানে কেন্দ্রীয় সরকার স্থানীয় সরকারের অধীনে সেই এলাকাটাকে উন্নয়ন করার জন্য একটা অর্থ বরাদ্দ দেয়। সেই উন্নয়নটা দুর্নীতিমুক্ত হবে। সেখানে কোন টাকা আত্মসাৎ হবেনা। আর একটা উন্নয়ন হয় পৌরসভার নিজস্ব যে আয় আছে সে আয় থেকে। এই উন্নয়নের মধ্যে রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন আছে, পৌরসভাকে সুসজ্জিত করার বিষয়টা আছে, তারপর বেকারদের সমস্যা সমাধান করার জন্য কর্মসংস্থানের রাস্তা খোলার জন্য ব্যাপার আছে। স্থানীয় সরকারের কাজটা হল ঘরে ঘরে উন্নয়ন পৌঁছে দেওয়া। কেন্দ্রীয় সরকার তো পুল, কালভার্টের জন্য টাকা দেয়ই। কিন্তু স্থানীয় সরকারের মূল কাজটা হল মানুষের ঘরে ঘরে তাদের উন্নয়নটা পৌঁছে দেওয়া। ঘরে ঘরে উন্নয়ন বলতে এবারে পীরগঞ্জের কৃষক সমাজ গোডাউনে তাদের ধান দিতে পারেনি। সরকারি রেট ছিল ৯ শ ২০ টাকা। গোডাউনে তালা দেওয়া ছিল, কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করা হয়নি। এই ধান বাদ দিয়ে তারা বিভিন্ন হাটে-বাজারে ৪০০ টাকা মণ বিক্রি করেছে। এই ধানটা ফলিয়া টাউটদের কাছে যাওয়ার পরে এই ফলিয়া টাউটরা অনেক আগেই  এই কৃষকদের যে ধান দেওয়ার কার্ড বিভিন্নভাবে তারা সংগ্রহ করে তাদের কাছে রাখছে। কৃষকরা যখন ধান বাজারে বিক্রি করে সেই বিক্রিত ধান তারা ক্রয় করে গোডাউনে রাখছে ৯ শ ২০ টাকা করে। আমাদের বক্তব্যটা ছিল এবং আমাদের বক্তব্য এখনো আছে যে স্থানীয় সরকার এই উন্নয়নটা তার করা দরকার একজন পৌরসভার মেয়র এই জিনিসটা তাকে দেখতে হবে যে একজন কৃষক যদি সরকারি দামে গোডাউনে যদি ধানটা বিক্রি করতে পারে তাহলে কৃষক লাভবান হয় এবং ঘরে ঘরে উন্নয়নটা হয়। আজকে গোটা দেশে কম মেধাবী ধনীর সন্তানদেরকে সমস্ত স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসার শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে টাকার বিনিময়ে। লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে। অথচ দরিদ্র ঘরের মেধাবী সন্তান তাদের ঘরে টাকা থাকার না কারণে তাদের চাকরি হচ্ছে না। স্থানীয় সরকারের যে প্রধান তার এই উন্নয়নের মানসিকতা থাকতে হবে যে হতদরিদ্র গরীব ঘরের মেধামী সন্তানদের টাকা না নিয়ে তাদের যদি শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া যায় তাহলে এই উন্নয়ন ঘরে ঘরে হয়। হাসপাতালের ডাক্তাররা কালোবাজারিতে জনগণের ট্যাক্সের পয়সায় জনগণকে দেওয়ার জন্য যে ওষুধটা আসে সে ওষুধটা বিক্রি করে দিচ্ছে। হাসপাতালের ডাক্তারের কাছে গেলে সেখানে সাদা কাগজের উপর একটা স্লিপ দিয়ে কিছু ওষুধের নাম লিখে দেওয়া হচ্ছে যে বাজার থেকে কেন। কিন্তু এই ওষুধটা সরকারিভাবে হাসপাতালে আসে। কিন্তু ওষুধটা কালোবাজারে বিক্রি হয়। আজকে যদি এই হাসপাতালে চোরা কারবারিতে ওষুধ বিক্রি করা বন্ধ করা এবং হাসপাতালে ডাক্তার যদি মনোযোগ দিয়ে হতদরিদ্র মানুষের চিকিৎসা করবে এটা যদি নিশ্চিত করা যায় তাহলে ওষুধের পয়সাটা এবং মানুষের পয়সাটা ডাক্তারের বাঁচে। তাহলে কিন্তু ঘরে ঘরে উন্নয়নটা হয়। সেটেল্টমেন্ট অফিসার একজনের জমি আর একজনের নামে লিখে দিচ্ছে, দেওয়ার পরে যে লোকটা জমি হারালো, সে কিন্তু এই জমিটা পাওয়ার আশায় জোনাল সেটেল্টমেন্ট অফিসে গিয়ে ধর্না দিচ্ছে। তার মত শত শত মানুষ ধর্না দিচ্ছে। টাকা খরচ করে তারা জোনাল সেটেল্টমেন্ট অফিসে গিয়ে তার হারানো জমি ফেরত পাওয়ার চেষ্টা করতেছে। আজকে পীরগঞ্জের মতো জায়গায় সেটেল্টমেন্ট অফিসারের কাছ থেকে যদি বাধ্য করা যেত যার জমি তাকে লিখে দেওয়া হোক তাহলে জোনাল অফিসে গিয়ে তার যে অর্থের ভোগান্তিটা হচ্ছে এই অর্থের ভোগান্তি থেকে বাঁচলে তার ঘরে ঘরে উন্নয়ন হয়। স্থানীয় সরকারের কাজটা হল জনগণের ঘরের কাছে ঘরের দরজায় তার সেবা পৌঁছে দেওয়া। এখানে রাস্তা-ঘাট, পুল-কালভার্ট নির্মাণের টাকাটা তো কেন্দ্রীয় সরকার দেয়ই। বাজেট তো দেয়ই। এটার জন্য কোন দক্ষ, যোগ্য, দুর্নীতিমুক্ত নেতার দরকার নাই। কেন্দ্রীয় সরকারের টাকা দিয়ে কন্ট্র্যাক্টর এখানে রাস্তা-ঘাট, পুল-কালভার্ট নির্মাণ করবে এটার জন্য যোগ্য কোন নেতৃত্বের প্রয়োজন নাই। কিন্তু ঘরে ঘরে উন্নয়টা পৌঁছে দিতে গেলে, অসিয়েলেন্সির গোডাউন ভেঙ্গে কৃষকদের ধান দেওয়ার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে গেলে যোগ্য নেতৃত্বের দরকার। হাসপাতালের গেটে ডাক্তার বসিয়ে রেখে হত দরিদ্র মানুষের চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে পারলে এবং চোরা কারবারিতে ওষুধ বিক্রি বন্ধ করতে পারলে মানুষরা লাভবান হবে। এটার জন্য যোগ্য এবং সৎ নেতৃত্বের প্রয়োজন। সেটেল্টমেন্ট অফিসারকে ধরে যার জমি তার নামে লিখে দিতে বাধ্য করতে গেলে সৎ, যোগ্য, দুর্নীতিমুক্ত নেতৃত্বের প্রয়োজন। তো এখানে স্থানীয় পর্যায়ে স্থানীয় সরকারের যে প্রধান হবে সে সর্বাত্মক চেষ্টা চালাবে কেন্দ্রীয় সরকার যে অর্থ দিবে সে অর্থের বিনিময়ে পুল-কালভার্ট, রাস্তা-ঘাট তো নির্মাণ করবোই কিন্তু যে উন্নয়নটা করতে গেলে সৎ, যোগ্য, দুর্নীতিমুক্ত, যোগ্য নেতৃত্বের দরকার আমি ব্যক্তিগতভাবে এটা ধারণ ও লালন-পালন করি এবং আমি মনে করি, যে আমি এই পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হলে এ পর্যায়ে ঘরে ঘরে উন্নয়নের একটা সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। আর স্থানীয় যে সমস্যা সেটা সমাধানের জন্য এবং এটা সমাধান করে উন্নয়নের জন্য আমাদের এটা প্রথম পীরগঞ্জ পৌরসভা। আমি জানি এখানকার প্রথম এবং প্রধান সমস্যাটা কি। সেক্ষেত্রে প্রথম পৌরসভার প্রথম যাত্রাটা করতে গেলে এই বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর ভিতর যারা সুশীল আছে, মাস্টার, ইঞ্জিনিয়ার, প্রফেসর আছে প্রথমেই তাদের সঙ্গে বসে তারা প্রথম পৌরসভার কী কী সমস্যা তারা প্রথম চিহ্নিত করে তাদের কাছ থেকে সেটা শুনেই সেই অনুযায়ী সেই সমস্যার সমাধান করেই আর একটা স্থানীয়ভাবে সমস্যাটা সমাধান করার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করবো।

পীরগঞ্জ টোয়েন্টিফোর: কী রকম সাড়া পেলেন জনগণের কাছ থেকে?

কাজী লুমুম্বা লুমু: জনগণের কাছ থেকে আমাদের পক্ষে একটা ব্যপক সাড়া আছে। পীরগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে এখানকার যারা ভোটার, আমি প্রায় তাদের সবার বাড়িতেই গেছি, ভোট প্রার্থনা করেছি, তো যারা বয়ষ্ক ভোটার ৭০-৮০ বছর বয়স তারা আমাকে বলেছে যে তারা জীবনে এরকম ভোট দেখেনি। অর্থাৎ একটা ভোটের মধ্যে বিশেষ প্রার্থী সমস্ত দিন তাদের লোকজন দিয়ে অপর পক্ষকে দমন করার জন্য তার কর্মী-বাহিনী দিয়ে ঘরে মধ্যে ঢুকিয়ে রাখার জন্য তাদেরকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে। গ্রামে গ্রামে ওই বিশেষ প্রার্থীর পক্ষ থেকে তালিকা করা হচ্ছে যে ভোটের পরে তোমাদেরকে জেলে ঢোকানো হবে। শিক্ষিত লোকজনকে চাকরির ভয় দেখানো হচ্ছে, কারো চাকরির বেতন বন্ধ করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। সেন্টারে সেন্টারে গিয়ে বিভিন্ন জনসভায় গিয়ে ওই প্রার্থীর লোকজন ঘোষণা করতেছে যে আমরা যদি এই সেন্টারে বিজয়ী হই তো এক লক্ষ টাকা পুরষ্কার দিবো। আবার সমস্ত পৌর এলাকার এবং এলাকার বাইরে পীরগঞ্জ থানার যত কলেজ আছে, যত স্কুল মাদ্রাসা আছে ওই প্রার্থীর লোকজন তাদেরকে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রত্যেককে দিয়ে জনগণের কাছ থেকে ভোট ক্যানভাস করে নিচ্ছেন। এই ধারার একটা ভোট চলতেছে, ভয়ভীতি দেখিয়ে ভোট। আর একটা নিদেন পক্ষে তিনি হল টাকা দিয়ে মানুষের ভোট কিনতেছেন। ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা দিয়ে তিনি ভোট কিনতে চান। মানুষের সমস্ত মর্যাদা ভূলুন্ঠিত করে হতদরিদ্র মানুষদেরকে প্রলোভন দেখিয়ে ভোট কেনার চেষ্টা করছেন। এই দুই ধারার বিপরীতে আমাদের যে ধারার ভোট সেটা হল ভালোবাসার ভোট। যেটা প্রতিবাদী ধারার ভোট এবং আমার নির্বাচনী যে অঙ্গীকার, ঘুষ খাবোনা, দুর্নীতি করবোনা বিনা পয়সায় মানুষের কাজ করবো, এই অঙ্গীকারের ভিত্তিতে ভালোবেসে কিছু লোকজন আমাকে পরীক্ষা করার জন্য একটা ভোট দিতে চান সেটা একটা ধারা আছে এবং এই ধারাটাও খুব শক্তিশালী। এই দুই ধারার বিপরীতে আমাদের যে ভোট সেই ভোটটা যদি মানুষ ভয়ভীতিহীনভাবে সুষ্ঠুভাবে সেই ভোটটা ভোট সেন্টারে গিয়ে যদি আমাদের দিতে পারে তাহলে আমরাই বিজয়ী হবো।

পীরগঞ্জ টোয়েন্টিফোর: আপনি কি দলীয় নমিনেশন নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন?

কাজী লুমুম্বা লুমু: আমি একটা দল করি, সেটা হল বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি। তো আপনার সবাই জানেন যে এই নির্বাচনের আগে পর্যন্ত বাংলাদেশের সব স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয় ভিত্তিতে হয়েছে। সুতরাং এই পৌরসভাটা যখন ঘোষণা হয় হয় অবস্থা এই রকম সময়ে আমাদের দলীয় ফোরামে এবং আমার যে সংগঠন পীরগঞ্জ নাগরিক কমিটি তাদের প্রত্যেকটি মিটিংয়ে এইভাবে একটা সিদ্ধান্ত হয়েছে যে আমি ভোটটা নির্ভীক সমাজ কর্মী হিসেবে করবো। দলীয় ফোরামে এবং নাগরিক কমিটির ফোরামে এই সিদ্ধান্তটা হওয়ার পরে আমি মাঠে যাই মানুষের সাথে মত বিনিময় করার জন্য। সেখানে মানুষকে বলি যে আমি একজন সমাজকর্মী হিসেবে স্বতন্ত্র ইলেকশন করতে চাই। লোকজন আমার সেই ডাকে সাড়া দিয়ে আমাকে সমর্থন করে। এরমধ্যে পীরগঞ্জ পৌরসভা ঘোষণা হওয়ার পরে তারপরেও সে কর্মকান্ড চলতে থাকে। কিন্তু হঠাৎ করে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এবং তাঁর যে দল আওয়ামীলীগ এর পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হল যে এইবার স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় ভিত্তিতে হবে। এই ঘোষণা হওয়ার পরে আমি আমার দল এবং নাগরিক কমিটির সাথে কথা বলি তারা আমাকে একটা সিদ্ধান্ত ব্যক্ত করেন যে যেহেতু অনেক আগেই এই সিদ্ধান্ত হয়েছে যে সমাজকর্মী হিসেবে আমরা ইলেকশন করবো এবং সেই হিসেবেই আপনি এলাকার মানুষের কাছে গেছেন, এলাকার মানুষের পরিচিতি লাভ করছেন এবং এইভাবে ভোট করবেন বলে এলাকার মানুষ আপনাকে সমর্থন দিয়েছে সুতরাং এইবার প্রথম যেহেতু দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হচ্ছে এবার সেদিকে না গিয়ে নির্দলীয় ভিত্তিতে সমাজকর্মী হিসেবে করেন। যার কারণে দলীয় প্রতীক চাইনি তা না দল থেকেই এবং আমার যে সংগঠন নাগরিক কমিটি সেখান থেকেই সিদ্ধান্তটা হয়েছে তাই সেটা আর পরিবর্তনের সুযোগ দেয়নি তাই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছি।

পীরগঞ্জ টোয়েন্টিফোর: পীরগঞ্জ পৌরসভাকে ডিজিটালাইজড করতে কী রকম পদক্ষেপ নিবেন?

কাজী লুমুম্বা লুমু: পীরগঞ্জকে ডিজিটালাইজড করতে যা যা করা দরকার সেটাই করা হবে এবং আমাদের সরকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেহেতু পীরগঞ্জের পুত্রবধু সেহেতু তার কাছ থেকে অত্যন্ত আশানুরূপ সাড়া পাবো বলে আমি বিশ্বাস করি।

পীরগঞ্জ টোয়েন্টিফোর: পৌর কর কিভাবে নির্ণয় করবেন?

কাজী লুমুম্বা লুমু: নতুন করে কোন কর ধার্য্য করা হবেনা, এখানে জনগণের সাথে কথা বলে তাদের মতামতের ভিত্তিতে অত্যন্ত সহনশীলতার ভিত্তিতে কর নির্ধারণ করা হবে যেন সবার সামর্থ্যের মধ্যে থাকে।

পীরগঞ্জ টোয়েন্টিফোর: বেকার সমস্যা সমাধানে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন?

কাজী লুমুম্বা লুমু: আমি আগেও বলেছি যে টাকা ছাড়া কোন গরীব মানুষের সন্তানদের কোথাও কোন চাকরি হচ্ছেনা। আমি পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হলে প্রথমে আমি এই জায়গাটাতে যুদ্ধ করে এটা বন্ধ করবো। প্রথমে এটা বন্ধ করে ঘরে ঘরে উন্নয়নের জন্য যেন গরীব মেধাবীদের যেন শিক্ষকতা চাকরিটা হয় বা অন্য কোন চাকরি হয় মেয়র নির্বাচিত হলে তার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। এবং তারা কর্মসংস্থানের জন্য পৌরসভার পক্ষ থেকেই কী কী ভাবে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যায় এর জন্য আলাদা একটা কেন্দ্র খুলবো।

{সাক্ষাৎকারে প্রার্থীর বক্তব্য একান্তই নিজস্ব। তাই এখানে প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে প্রার্থীর বক্তব্যের জন্য পীরগঞ্জ টোয়েন্টিফোর কর্তৃপক্ষ প্রার্থীর বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।}

***পীরগঞ্জ টোয়েন্টিফোরে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।***

Content Protection by DMCA.com
- বিজ্ঞাপন -
- বিজ্ঞাপন -

সর্বশেষ

আরো খবর

- বিজ্ঞাপন -